Tuesday, February 3, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধদূর্ধুর্ষ ডাকাতি ও হামলার ঘটনা! পুলিশ নিল চুরির মামলা

দূর্ধুর্ষ ডাকাতি ও হামলার ঘটনা! পুলিশ নিল চুরির মামলা

দূর্ধুর্ষ ডাকাতি ও হামলার ঘটনা! পুলিশ নিল চুরির মামলা


নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ-নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার  পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবিরের বাড়িতে দূর্ধুর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬আগস্ট) রাত ১ টায় উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান আলমগীর কবিরের ছয়হিস্যার বাড়িতে ডাকাত দল হানা দেয়।

আলমগীর কবিরের বাবা আলতাব উদ্দিন জানান, রাত ১ টার সময় পুলিশের পোশাকে মাস্ক পরিহিত সাবেক মেম্বার আঃ হালিমের চাচাতো ভাই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী আজিজুল ওরফে আইজ্জা ও তার ভাগিনা আরিফের নেতৃত্বে ৩০ জনের একদল লোক তালা কেটে আমার বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে। তারা ফোনে অজ্ঞাত কার সাথে যেন কথা বলে আমাদেরকে মারধর করে এবং প্রত্যেকটা রুম তছনছ করে ১৩ ভরি স্বর্ণ ও এনজিও থেকে কিস্তিতে নেয়া ও রাস্তার কাজের জন্য রাখা নগদ সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়৷

তিনি আরো জানান, মারধর ও লুটপাটের সময় ঘটনাস্থলে থাকা আমি ও আমার বড় ছেলে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী রহিমা বেগমসহ অন্যান্যরা সাবেক মেম্বার আঃ হালিমের চাচাতো ভাই ওয়ারেন্টভুক্ত ডাকাত আজিজুল ওরফে আইজ্জা ডাকাত ও ডাকাত আরিফ কে সনাক্ত করে ফেলায় আমাদের কে মারধর করে গুরুতর  আহত করে।

দূর্ধুর্ষ ডাকাতি ও হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে মেম্বারের ভাই, ভাবি রাহিমা বেগম জানান, ডাকাত দল ভেবে ছিল আমার দেবর আলমগীরকে লুকিয়ে রেখেছি। খুজে না পেয়ে আমার স্বামীকে জবাই করতে বাথরুমে নিলে আমি ও সন্তানরা চিৎকার করলে আমাদেরকে মারধর করে ফেলে রেখে চলে যায়।

ঘটনা শুনে প্যানেল চেয়ারম্যান আলমগীর কবিরের বাড়ির ডাকাতির আলামত ও ভুক্তভোগী পরিবারের খোঁজ খবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল শেখ, সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান। ঘটনার পরপর রাতেই পুলিশকে খবর দিলে সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক মজিবুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর)  মামলার বাদী সহ আলমগীর মেম্বারের পরিবার কোর্টে এসে জানতে পারে সোনারগাঁও থানা পুলিশ ডাকাতির মামলা না নিয়ে চুরির মামলা নিয়েছে।এতে করে তারা তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।পুলিশ রহস্যজনক কারনে ডাকাতির মামলা নেয়নি।বাদী পক্ষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,তাহলে সেদিন আলমগীর মেম্বার খুন হলে পুলিশ খুশি হতো।আমরা জানি ডাকাতির মামলা হয়েছে।

এদিকে হালিম মেম্বারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি সহ ৬ টি মামলা রয়েছে। হালিম মেম্বার তার লোকজন নিয়ে আলমগীর মেম্বার কে হত্যার উদ্যোশ্য তার বাড়িতে ডাকাতদল পাঠায়।আলমগীর কে না পেয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়ে চলে আসে ডাকাত দল।এ ঘটনা তদন্ত করে ডাকাতির মামলা রেকর্ড করতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী আলমগীর মেম্বারের পরিবার।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments